গ্র্যাজুয়েট জেনারেল হাসপাতালে

ওয়েবসাইট থেকে অ্যাপয়েন্টমেন্টের জন্য সকল প্রকার পরীক্ষা-নিরীক্ষা ৫ থেকে ১০ % পর্যন্ত ছাড়! বিঃ দ্রঃ পরীক্ষা-নিরীক্ষায় ছাড়-এর জন্য রেফারেন্স গ্রহণযোগ্য হবে না। ওয়েবসাইট থেকে অ্যাপয়েন্টমেন্টের জন্য সকল প্রকার পরীক্ষা-নিরীক্ষায ৫ থেকে ১০ % পর্যন্ত ছাড়! বিঃ দ্রঃ পরীক্ষা-নিরীক্ষায় ছাড়-এর জন্য রেফারেন্স গ্রহণযোগ্য হবে না।

Dental Surgery (Oral & Dental Diseases)

Dental Surgery (Oral & Dental Diseases)

ডেন্টাল সার্জারি (Dental Surgery) বা মুখ ও দাঁতের রোগ সংক্রান্ত বিষয়ে বাংলায় বিস্তারিত হলো দাঁতের রোগ নির্ণয়, প্রতিরোধ ও চিকিৎসার একটি বিশেষ ক্ষেত্র, যেখানে দাঁত, মাড়ি, চোয়াল ও মুখের নরম টিস্যুর সমস্যা, ক্ষয়, বিকৃতি, এবং জন্মগত ত্রুটি (যেমন ক্লেফ্ট প্যালেট) সার্জারি ও অন্যান্য পদ্ধতির মাধ্যমে ঠিক করা হয়; এর মধ্যে রুট ক্যানেল, দাঁত তোলা, ফিলিং, ডেন্টাল ইমপ্লান্ট, ব্রিজ, ক্রাউন, ব্রেইস বা ক্যাপ বসানো, এবং মুখের ক্যান্সারের চিকিৎসা অন্তর্ভুক্ত থাকে, যা একজন দাঁত বিশেষজ্ঞ বা ডেন্টিস্ট করে থাকেন।

ডেন্টাল সার্জারি ও রোগের প্রকারভেদ (Types of Dental Surgery & Diseases):
দাঁতের ক্ষয় (Dental Caries): দাঁতে গর্ত হওয়া এবং ক্ষয় হওয়া।
পেরিওডন্টাল রোগ (Periodontal Disease): মাড়ির রোগ, যেমন জিঞ্জিভাইটিস বা পেরিওডন্টাইটিস।
দাঁত তোলা (Extraction): মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত বা পচনশীল দাঁত তুলে ফেলা।
রুট ক্যানেল (Root Canal Treatment – RCT): দাঁতের ভেতরের আক্রান্ত মজ্জা বা পাল্প অপসারণ এবং ফিলিং করা।
ফিলিং (Filling): দাঁতের ক্ষয় পূরণ করা (কম্পোজিট, অ্যামালগাম ইত্যাদি দিয়ে)।
ক্রাউন ও ব্রিজ (Crown & Bridge): ক্ষয়প্রাপ্ত দাঁতকে ঢেকে রাখা বা অনুপস্থিত দাঁতের জায়গায় নতুন দাঁত বসানো।
ডেন্টাল ইমপ্লান্ট (Dental Implant): কৃত্রিম দাঁতের গোড়া স্থাপন করা (স্থায়ী সমাধান)।
অর্থোডন্টিক্স (Orthodontics): দাঁত ও চোয়ালের ভুল অবস্থান ঠিক করা (যেমন – ব্রেইস বা দাঁত বাঁকানো সরঞ্জাম ব্যবহার)।
ওরাল সার্জারি (Oral Surgery): আক্কেল দাঁত তোলা, সিস্ট অপসারণ, বা অন্যান্য মুখের ভেতরের ছোটখাটো সার্জারি।
মুখের ক্যান্সার (Oral Cancer): মুখের নরম টিস্যুর ক্যান্সার এবং এর চিকিৎসা।
কেন প্রয়োজন (Why It’s Needed):

ব্যথা ও সংক্রমণ দূর করতে।
দাঁতের স্বাভাবিক কার্যকারিতা ফিরিয়ে আনতে (খাওয়া, কথা বলা)।
সৌন্দর্য বৃদ্ধি ও আত্মবিশ্বাস বাড়াতে (যেমন – দাঁত সাদা করা, ইমপ্লান্ট)।
মুখের অন্যান্য অংশ (মাড়ি, চোয়াল) সুস্থ রাখতে।
চিকিৎসা পদ্ধতি (Treatment Methods):

রোগ নির্ণয়: এক্স-রে, ডেন্টাল স্ক্যান।
অস্ত্রোপচার: দাঁত তোলা, ইমপ্লান্ট, ইত্যাদি।
প্রতিরোধ: সঠিক ব্রাশ করা, ফ্লস করা, সুষম খাদ্য গ্রহণ।

সংক্ষেপে, ডেন্টাল সার্জারি মানে দাঁত ও মুখের সমস্ত সমস্যার চিকিৎসার একটি বড় ক্ষেত্র, যা আমাদের মুখের স্বাস্থ্য এবং সামগ্রিক সুস্থতার জন্য অপরিহার্য।

Scroll to Top